Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home3/binodanp/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
বর্ণময় অরেঞ্জ ফেস্টিভ্যাল - বর্ণময় অরেঞ্জ ফেস্টিভ্যাল -
Saturday, March 7, 2026
কৃষ্টি-Culture

বর্ণময় অরেঞ্জ ফেস্টিভ্যাল

এসোশিয়েশন ফর কনসার্ভেশন এন্ড ট্যুরিজম ওরফে ACT ও অম্বুজা নেওটিয়া গ্রুপের সিটি সেন্টার মলের ব্যবস্থাপনায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হল হিমালয়ান অরেঞ্জ ট্যুরিজম ফেস্টিভ্যালের চতুর্থ সংস্করণ। ACT-এর প্রাণপুরুষ রাজ বসুর নেতৃত্বে ২০১৪ সাল থেকে এক বছর অন্তর এই উৎসব হয়ে আসছে। এ বছর উৎসবের  সূচনা করেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী মাননীয় সুজিত বোস, নেপালের কন্স্যুলেট জেনারেল ইশর রাজ পউডেল, এসোশিয়েশনের এম্বাসেডর সংগীতশিল্পী রিনা দাস বাউল৷ জানা গেল, এসোশিয়েশনের আর এক এম্বাসেডর, ভারতের জাতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়া ব্যক্তিগত কারণে এবার উৎসবে যোগদান করতে পারেননি।

কলকাতা চ্যাপ্টারের দুই ফেস্টিভ্যাল কনভেনর গীতালি লাহিড়ি ও মহাশ্বেতা রায়ের তত্ত্বাবধানে দার্জিলিং, সিকিম, ডুয়ার্স, অসম, ভুটান, নেপাল, অরুনাচল প্রদেশ প্রভৃতি অঞ্চল থেকে এবার প্রায় ২৩০ জন অংশগ্রহণ করেছিলেন এই তিনদিন ব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সংস্কৃতির আদানপ্রদানের এক ক্ষেত্র বলা চলে এই উৎসবকে। বিভিন্ন জাতের কমলালেবুর পাশাপাশি পাহাড়ের মানুষ নিয়ে এসেছেন কমলালেবু জাত অন্যান্য দ্রব্য। যেমন, কমলার সাবান, কমলার মধু, এমনকী কমলার ফুচকা অবধি দেখা গেছে এই ফেস্টিভ্যালে। এসেছিল বিভিন্ন অর্কিড, আদা, এভোক্যাডো, আচার, রডোডেন্ড্রনের ওয়াইন! নানা জাতীয় পাহাড়ি ভেষজ, ফলমূল, হস্তশিল্প, জ্যাম, আচার, গয়না, পোশাক, নেল আর্ট, ফোটোগ্রাফি, ব্যাগের সম্ভারও নিয়ে এসেছেন পাহাড়ের মানুষজন।

একদিকে এইসব উপাচার, অন্যদিকে পাহাড়ের মানুষের প্রাণোচ্ছল নাচ-গানের আয়োজন। রংবেরঙের পোশাকে সেজে উৎসব প্রাঙ্গণ মুখর করে তোলেন তাঁরা। উপস্থিত অগণিত মানুষের হৃদয় জয় করেন দূর পাহাড়ের শিল্পীরা। উৎসবের তিনটি দিন গাঁথা হয়ে যায় চিরতরে, সকলের মনে। অতিমারীর কারণে ২০১৮-য় উৎসবের আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। সেই আক্ষেপ এবার দ্বিগুন উৎসাহ ও আনন্দে মিটিয়ে নেন সকল অংশগ্রহণকারী। উদ্যোক্তাদের নিপুণ ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি পর্ব হয়ে ওঠে সফল ও সার্থক। উৎসব শেষ হয়, ২০২৩-য় আবার ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি নিয়ে।