Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home3/binodanp/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
আমি চাই দর্শক অনেকদিন ধরে দেখুক 'রাঙা বউ' - আমি চাই দর্শক অনেকদিন ধরে দেখুক 'রাঙা বউ' -
Saturday, March 7, 2026
বিনোদনের ছোট বাক্স

আমি চাই দর্শক অনেকদিন ধরে দেখুক ‘রাঙা বউ’

আকারে ছোট হলেও বিনোদন ক্ষেত্রে টেলিভিশনের গুরুত্ব আজ অসীম। মেগা থেকে রিয়ালিটি, গেম শো থেকে ম্যাগাজিন–টিভি শোয়ের চাহিদা ছিল, আছে, থাকবে। এই বিভাগে তারই খবর প্রতি সপ্তাহে। জি বাংলায় সদ্য শুরু হয়েছে ‘রাঙা বউ’। ধারাবাহিকের সেটে মেগার মুখ্য ভূমিকাভিনেত্রী শ্রুতি দাসের সঙ্গে কথা বলেছেন কলি ঘোষ। এখানে সেই আলাপনেরই কিছু নির্যাস।

তিন বছরে তিনটে ধারাবাহিকে অভিনয় করে শুধু যে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন তাই নয়, দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তাও পেয়েছেন তিনি। অথচ তাকেই একদিন রিজেক্ট করে দিয়েছিল ধারাবাহিকের নির্মাতারা। সেদিনের সেই ঘটনাটা আজও তাঁর মনে দাগ কেটে আছে। তিনি আর কেউ নন, এই মুহূর্তে জি বাংলায় প্রচারিত ধারাবাহিক ‘রাঙা বউ’-এর পাখি অর্থাৎ শ্রুতি দাস। মেগার সেটে তাঁর মুখোমুখি হয়েছিলাম সম্প্রতি। কথায় কথায় উঠে এলো এমনই জানা-অজানা নানা তথ্য।

শ্রুতি জানান, “লক্ষ্মী যেমন পায়ে হেঁটে ঘরে আসে, ঠিক তেমন ভাবেই আমার কাছে প্রথম কাজের সুযোগ আসে নিজে থেকেই। তখন আমি কলেজের তৃতীয় বর্ষে ইংরেজি অনার্স নিয়ে পড়ি। সেই সময়ই প্রথম ব্রেক পাই বা কাজের সুযোগ আসে বলতে পারি। সূত্র মারফত খবর পেয়ে আর পাঁচটা মেয়ের মত আমিও ধারাবাহিকে অভিনয়ের জন্য অডিশন দিতে যাই। ধারাবাহিকটির নাম ছিল ‘ত্রিনয়নী’।” জানা গেল, সেদিন শ্রুতির মতো আরও অনেকেই সেখানে যান অডিশন দিতে। তাদের সকলকেই বাতিলের দলে ফেলে দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে শ্রুতি সেদিন বাড়ি ফিরে আসেন। “হয়তো আমার মধ্যে সেই এক্স ফ্যাক্টরটি দেখতে পাননি নির্বাচকরা তখন। পরে অবশ্য ঘটনার মোড় ঘুরে যায়। যাই হোক, শেষ অপশন হিসেবে তাঁরাই আবার আমাকে সুযোগ করে দেন। ঠিক তিনদিনের মাথায় আবার খবর দেন তাঁরাই। তখন কোনও রকম অডিশন ছাড়াই আমি নির্বাচিত হই”–বলেন শ্রুতি।

তাঁর লেখাপড়া, ডান্স, অভিনীত কেরিয়ার সব নিয়েই প্রাঞ্জল ছিলেন এদিন ছোটপর্দার অপরিহার্য অভিনেত্রী। বললেন, “পড়াশুনোর কোনও শেষ নেই। সারাজীবন আমরা শিখি। এখানেও আমি রোজ কিছু না কিছু শিখছি। পড়াশুনা মানে শুধু পুঁথিগত বিদ্যা, এটা আমি কোনওদিনই বিশ্বাস করি না। ইচ্ছা ছিল প্রফেশনাল ডান্সার হওয়ার। তাই নিজে ছোট একটা নাচের স্কুল করেছিলাম। তবে, অভিনয়ের প্রতি টান আমার বরাবরের। আর এর প্রতি প্যাশন থাকার জন্য অভিনয়কেই গুরত্ব দিই।”

কেরিয়ারের শুরু থেকেই মুখ্য ভূমিকায় তিনি। এর আগে ‘ত্রিনয়নী’, ‘দেশের মাটি’ ধারাবাহিকে শ্রুতির অভিনয় দর্শকমন জয় করেছে। এখন ‘রাঙা বউ’ ধারাবাহিকেও প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন। “প্রথম যার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলাম সেই গৌরব রায়চৌধুরী আমার এই ধারাবাহিকেও সহ অভিনেতা। খুব ভালো বন্ডিং আমাদের। ওর সঙ্গে আমার দারুন বন্ধুত্ব। তাই অভিনয় করতে বেশ সুবিধাই হয়। এছাড়াও ওদের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। আমার বাবা-মা ওকে খুব ভালোবাসে। মা, বাবা ও আমি–আমাদের তিনজনের পরিবারের খুব কাছের মানুষ গৌরব”–মন খুলে জানালেন শ্রুতি।

সব শেষে তাঁর প্রত্যাশা, ‘রাঙা বউ’ সবে শুরু হয়েছে । আমি চাই অনেকদিন ধরে এটি দর্শকদের মনোরঞ্জন করুক। প্রত্যাশা আমাদেরও। একটি প্রজেক্টের সঙ্গে বহু মানুষের ভাবনা, ভালোবাসা আর প্রচুর শ্রম জড়িয়ে থাকে ! দর্শকের জন্যই মেগা নির্মাতাদের যাবতীয় আয়োজন। শ্রুতি তাঁর নিষ্ঠা ও অভিনয়গুণে ইতিমধ্যেই মেগার দুনিয়ায় নিজের এক বিশিষ্ট স্থান করে নিয়েছেন। পরপর তিনটি ধারাবাহিকে মুখ্য ভূমিকায় সুযোগ কাজের গুণেই আসে। শ্রুতি সেটা অর্জন করেছেন। আমাদের অকুণ্ঠ শুভেচ্ছা রইলো তাঁর জন্য।