Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home3/binodanp/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
'সুছন্দ'র চুয়াল্লিশ  - 'সুছন্দ'র চুয়াল্লিশ  -
Saturday, March 7, 2026
কৃষ্টি-Culture

‘সুছন্দ’র চুয়াল্লিশ 

প্রখ্যাত বাচিক ও নৃত্যশিল্পী নূপুর বসু প্রতিষ্ঠিত প্রশিক্ষণ ও সাংস্কৃতিক চর্চাকেন্দ্র ‘সুছন্দ’ এবার পা রাখল ৪৪-এর ঘরে। মাঝে অতিমারীর কারণে দুটি বছর অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয়নি। এবছর পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমীতে বেশ বর্ণাঢ্য আকারেই তাই আয়োজিত হয়েছিল ‘সুছন্দ’র বার্ষিক অনুষ্ঠান। চারটি দশক পার করেছে এই প্রতিষ্ঠান নূপুর বসুর সুযোগ্য নেতৃত্বে। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত বিভিন্ন নিবেদনে স্পষ্ট ছিল অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের প্রতিভা, দক্ষতা ও আন্তরিকতা। 

Fb Img 1694214529758
'সুছন্দ'র চুয়াল্লিশ  4

নাচ ও কবিতা দুটোতেই ছন্দ–তার থেকেই দলের নাম ‘সুছন্দ’। তবে, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমীতে নাচের অনুমতি নেই। তাই এদিন ছিল কবিতা ও শ্রুতি নাটকের আয়োজন। প্রসঙ্গত জানাই, ‘সুছন্দ’র টানে কয়েক প্রজন্ম ধরে ছাত্রছাত্রীরা প্রশিক্ষণরত। সর্বকনিষ্ঠ তিন বছরের শিশু থেকে বাহাত্তর বয়স পর্যন্ত বরিষ্ঠ মানুষ আছেন শিক্ষার্থী তালিকায়। যে সব ছাত্রছাত্রী এখন চাকরি সূত্রে ভিন রাজ্যে বা বিদেশে থাকেন, তাঁদের কেউ কেউ হয়তো সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত, যুক্ত নাটক সংক্রান্ত লেখালেখির সঙ্গেও–ব্যস্ততার মধ্যেও তাঁরা চেষ্টা করেন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। আবার এঁদের মধ্যে অনেকেই বেশ নাম-যশও অর্জন করেছেন। এঁরা সকলেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন ‘সুছন্দ’কে ভালোবেসে।

Img 20230904 Wa0056
'সুছন্দ'র চুয়াল্লিশ  5

ছোটদের ক্ষেত্রে আবার তাদের অভিভাবকরাও এখন ছাত্রছাত্রী। ‘সুছন্দ’ যেন এক বৃহৎ সাংস্কৃতিক পরিবার। বয়সে যাঁরা বড়, সেই ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক–সবাই মিলেই অনুষ্ঠানের সব আয়োজন করেন। প্রতি বছর আমন্ত্রিত অতিথিরাও থাকেন অনুষ্ঠানে। এবার এসেছিলেন রবীন ভট্টাচার্য ও নন্দিনী সরকার। নন্দিনীর প্রথম আবৃত্তি শেখা  নূপুরের কাছেই। কবিতা দিয়ে সাজানো হয়েছিল অনুষ্ঠান। ছিল সমবেত নিবেদন ‘শুধু কবিতার জন্য’, ছোটদের সমবেত পরিবেশনায় ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সহজপাঠ’। সমবেত নিবেদনে ছিল হুমায়ুন আজাদের কবিতা ‘ভালো থেকো’।